একসাথে কয়জন প্রফেসরকে ই-মেইল করবেন?

একবার ‘ক’ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩/৪ জন প্রফেসরের সাথেই আমার কাজ বেশ ভালোই মিলে গেল। যার সাথে সবচেয়ে বেশি মিল ছিল, তাকেই প্রথমে মেইল পাঠালাম। ৩/৪ মিনিটের মাথায়ই সে রিপ্লাই দিল। ‘তোমার সাথে আমার কাজের বেশ ভাল মিলই আছে, তুমি এপ্লাই করো আর এপ্লিকেশনে আমার নামও দিতে পারো। আমি তোমার ব্যাপারে আগ্রহী’। সে মেইলটাতে ডিপার্টমেন্ট কোঅরডিনেটরকেও(উনিও একজন […]

Read More

প্রফেসরকে প্রথম ইমেইলটি করার সময় কী কী বিষয় মাথায় রাখা দরকার?

১ সৌজন্যতা কমবেশি সবাই পছন্দ করে। অনেকসময় অপ্রয়োজনীয় মনে হলেও কিছু ক্ষেত্রে এইদিকটা খেয়াল রাখা উচিত। যেমন, প্রথম লাইনেই প্রফেসরকে লিখতে পারেন, ‘আপনার অনুমতি না নিয়ে ইমেইল করার জন্য প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি’। যদিও আপনি খুব ভালভাবেই জানেন যে, প্রথম ইমেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে অনুমতি নেবার কোনই সুযোগ নেই। তবু এটা একটা ভদ্রতার অংশ। সেইখেত্রে প্রথম […]

Read More

রিসার্চ অ্যাসিসটেন্টশীপ: প্রফেসরের কাছে ধরণা দিবেন যেভাবে

বিষয়টা একটু নিজের দিক থেকে চিন্তা করুন। আপনি একটি কোম্পানির মালিক, কাজের জন্য একজনকে হায়ার করবেন। আপনি কি রেনডোমলি যাকে পাবেন তাকেই অ্যাপয়েন্ট করবেন? উত্তরটা ‘না’ হওয়াই স্বাভাবিক। প্রার্থীর ভেতর এমন কোন একটা সম্ভাবনা আপনাকে দেখতে হবে (বা বের করতে হবে), যা দেখেই আপনি তাকে নিজের কাজে নেবার কথা চিন্তা করতে পারবেন। ঠিক এই চিন্তাটা […]

Read More

প্রফেসরের Response: পজেটিভ নাকি নেগেটিভ?

১। প্রোফেসর হয়তো আপনাকে বলল, “তোমার প্রোফাইল ভালই, তবে অফিশিয়ালি এপ্লাই করলে তবেই সেটা রিভিউ হবে।  তুমি এপ্লাই কর, আমার কাছে এপ্লিকেশন আসলে আমি সেটা দেখব”। এটা আসলে সাধারন একটা রিপ্লাই। ব্যাপারটা হল, আপনি চাইলে এপ্লাই করতে পারেন, উনার হাতে আসলে হয়ত উনি দেখবেন। আপনি অন্যদের সাথে তুলনামূলক প্রতিযোগিতায় টিকতে পারলে হয়ত আপনাকে নেয়াও হতে […]

Read More

কিভাবে জানবেন প্রফেসর মেইল পড়েছে কিনা?

অ্যাডমিশন এবং ফান্ডিং পাবার ক্ষেত্রে প্রফেসরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। যোগাযোগের সহজ মাধ্যম হিসেবে সবার পছন্দ ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল। তবে ই-মেইলের সবচেয়ে বড় অসুবিধা কেউ পড়েছি কি পড়েনি সেটা আঁচ করার কোন উপায় নেই। অনেক সময় দেখা য়ায় প্রফেসর হয়তো সেই বিট্রিশ আমলে আপনার ই-মেইল পড়ে এবং ডিলিট করে আরামে ঘুম দিচ্ছেন […]

Read More

আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা vs প্রস্তুতির টাইমলাইন

এই আর্টিকেলটি পড়ার পরিবর্তে ভিডিও থেকেও জেনে নিতে পারেন। এখন না পরে, পরে না আরো পরে! আমাদের দেশের হায়ারস্টাডি অ্যাস্পিরেন্টদের একই সাথে খুবই কমন ও মধুর সমস্যা। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই ভাবনা চিন্তায় উচ্চ শিক্ষার জন্য সুদুর চীন দেশে [তর্কের খাতিরে ধরে নেওয়া] যাওয়ার জন্য পরিকল্পনা মাথায় ঘুরপাক খেলেও সময়ের হিসাব মেলাতে না পারায় এই স্বপ্ন মাঠে […]

Read More

অ্যাডমিশন না পেলে পরের বছর ঐ একই বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার অ্যাপ্লাই করা

কোন কারণে অ্যাডমিশন ডিনাই হলে  আপনি অবশ্যই পরের বছর বা পরের সেমিস্টারে আবার আবেদন করতে পারবেন। মনে রাখতে হবে, ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ে যেহেতু আপনার জিআরই আর টোফেল স্কোর আগে একবার পাঠানো হয়েছে, সে কারনে আবার টাকা খরচ করে এগুলো পাঠানোর প্রয়োজন হবে না। শুধুমাত্র নতুন অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম আর ফি পরিশোধ করলেই হবে। তাছাড়া যেহেতু আপনি একবার অ্যাপ্লাই করেছেন, কিছু […]

Read More

আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স আর পিএইচডি করতে কতোদিন লাগবে?

অধিকাংশ আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স প্রোগ্রাম সাধারণত দুই বছরের। অন্যদিকে পিএইচডির জন্য কত সময় লাগবে তা নির্ধারিত করা একটু কঠিন। কেননা এটা নির্ভর করে প্রজেক্টের বিভিন্ন গবেষণার সফলতার উপর। তবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রফেসরের হাতে গবেষণা কাজ চালানোর মতো কি পরিমাণ ফান্ড আছে তার উপর। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ৪ থেকে ৫ বছরের মতো সময় লাগে। অনেক ক্ষেত্রে ৭ বছর পর্যন্ত লাগতে পারে।  

Read More

ফরম অব রেকমেন্ডেশন (FOR) কি?

ফরম অব রেকমেন্ডেশন বা FOR হলো লেটার অব রেকমেন্ডেশন (LOR) এর অনলাইন সংস্করণ। অনেক আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় তাদের ওয়েবসাইটে একটি ফরম দিয়ে দেয় যার মধ্যে স্টুডেন্টের কিছু গুণাবলীর নাম লিখে তার ডান পাশে স্কোরিং করতে বলা হয়। উদাহরণ স্বরূপ- নিয়মানুবর্তিতা (discipline), লিডারশীপ/নেতৃত্বদানের ক্ষমতা (leadership), স্নাতোকোত্তর পর্যায়ের গবেষণা করার ক্ষমতা (potentiality to pursue graduate studies) ইত্যাদিকে ০ […]

Read More

কিভাবে লেটার অব রেকমেন্ডেশন (LOR) সংগ্রহ করা যায়?

ইউনিভার্সিটিতে আবেদনের জন্য যে কয়টি অবশ্যই দরকারি জিনিস আছে তার মধ্যে ‘লেটার অব রেকমেন্ডেশন বা LOR’ একটি। যারা  LOR সম্পর্কে একেবারেই নতুন তারা  সম্পর্কিত আর্টিকেলটি আগে পড়ে নিতে পারেন। যার কাছ থেকে সংগ্রহ করবেন: সাধারণত তিন ধরণের ব্যক্তির কাছ থেকে রেকমেন্ডেশন (LOR) লেটার সংগ্রহ করা যায়। যেমন- আপনার প্রজেক্ট সুপারভাইজার, যার অধীনে আপনি অনার্সের থিসিস বা কোন প্রজেক্ট করেছেন। […]

Read More

টোফেল পরীক্ষার আগে কি প্রফেসরের সাথে যোগাযোগ করা যাবে?

অবশ্যই! টোফেল পরীক্ষার সাথে যোগাযোগ এর কোন সম্পর্ক  নেই। আপনি সরাসরি গ্রাজুয়েট প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটরের কাছে যোগাযোগ করতে পারেন। জিজ্ঞাসা করতে পারেন কোস সম্পর্কে, ভর্তি হওয়ার জন্য কি কি দরকারি সে সম্পর্কে। চাইলে নির্দিষ্টভাবে তাকে আপনার অন্য জিজ্ঞাসা থেকে থাকলে সেগুলো জানতে চাইলে পারেন। যেমন- আমেরিকার বাইরের সার্টিফিকেট সরাসরি গ্রহণ করে নাকি WES করে দিতে হবে। তাদের স্কলাশিপে কেমন […]

Read More

প্রফেসরকে ই-মেইল করার খুঁটিনাটি

বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডমিশন বা ফান্ডিং যে কোন কিছুর জন্যই সবচেয়ে মোক্ষম কৌশল হলো প্রফেসর ম্যানেজ করা। আগে থেকে প্রফেসর যদি আপনার সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখে এবং আপনার দক্ষতা-অভিজ্ঞতা বিষয়ে সন্তুষ্ট থাকেন তাহলে অ্যাডমিশন কমিটির অনুমোদনের আগেই চাইলে আপনার অ্যাডমিশন নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে। তবে তার জন্য দরকার সবার শুরুতে খুব কার্যকর একটি ইমেইল দিয়ে যোগাযোগ শুরু […]

Read More

প্রফেসরের সাথে কিভাবে যোগাযোগ করা যায়?

প্রফেসরের সাথে যোগাযোগ করার অন্যতম উপায় হচ্ছে ইমেইলে কথোপকথন। তবে আমরা সাধারণ যেভাবে কর্থাবার্তা বলি ভুলেও সেভাবে প্রফেসরের সাথে যোগাযোগ করতে যাবেন না। এতে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। প্রফেসরের সাথে যোগাযোগ করার জন্য আপনার নির্দিষ্ট কিছু নিয়মনীতি এবং ভাষাগত মাধুর্য্য মেনে চলা উচিত। এতে করে প্রফেসর আপনার সম্পর্কে পজিটিভ ধারণা পোষণ করতে পারবেন। নিচে […]

Read More

টেলিফোন ইন্টারভিউ’র ভয় যেভাবে করবেন জয়

আমাদের দেশে টেলিফোনে ইন্টারভিউ খুব একটা দেখা যায় না। তার উপর পুরো ইন্টারভিউ যদি হয় ইংরেজিতে তাহলে গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাওয়াই সাধারণ ব্যাপার। বিট্রিশ ইংরেজি উচ্চা কিছুটা আমাদের জন্য যতোটাই বোধগম্য আমেরিকান ইংরেজি উচ্চার ততোটাই কঠিন মনে হতে পারে। তবে আশার কথা হলো খুব কম সংখ্যাক আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয় আছে যারা আবেদনকারিকে টেলিফোনে ইন্টারভিউ নিয়ে […]

Read More

প্রফেসর নাকি গ্রাজুয়েট অ্যাডমিশন কমিটি-ফান্ডের জন্য কাকে ধরণা দেওয়া উচিত?

প্রফেসর নাকি গ্রাজুয়েট অ্যাডমিশন কমিটি-ফান্ডের জন্য কার কাছে ধরণা দিবো। এই প্রশ্নের উত্তর আপনাদের জানাবো একটি সুন্দর গল্পের মধ্যে দিয়ে। তার আগে আসুন জেনে নেই প্রফেসর এবং গ্রাজুয়েট অ্যাডমিশন কমিটির কি কাজ করে সে সম্পর্কে। বাংলাদেশের বিশ্বদ্যিালয়গুলোর মতো আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিন্ন ভিন্ন কাজ পরিচালনা করার জন্য ভিন্ন ভিন্ন কমিটি রয়েছে। ভর্তি কার্যক্রম সঠিকভাবে পালনের জন্য প্রতি বছর […]

Read More

অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনে যা যা লাগবে

সাধারণত GRE/TOEFL/IELTS পরীক্ষার পর পরই শুরু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন পর্ব। অনলাইনে আবেদনে বেশ কিছু নিয়মনীতি মেনে চলতে হয়। দরকার হয় অনেক রকম তথ্য। নতুন অবস্থায় একজন শিক্ষার্থীর পক্ষে হয়তো এসব তথ্য অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমানোর মতো দুর্বোধ্য মনে হতে পারে।  তবে আবেদনের আগে কি কি তথ্য লাগতে পারে ? কোন তথ্য এবং কতটুকু তথ্য লাগতে পারে? এসব […]

Read More