এই আর্টিকেলটি পড়ার বদলে ভিডিও থেকেও জেনে নিতে পারেন।

Topic-Summary

মেরিকান পিএইচডির একটা বড় বৈশিষ্ট হলো, ভর্তি হবার পর স্টুডেন্টকে বিভিন্ন শিক্ষামূলক কোর্স নিতে হয়। বাংলাদেশে আন্ডারগ্র্যাজুয়েটে পর্যায়ে পড়ে এসেছেন এরকম অনেক কিছুই ঐ কোর্সের মধ্যে আবার পড়তে হবে, তবে সেটা হবে একটু বড় পরিসরে।

নিয়মিত পরীক্ষায় বসতে হয় এবং ন্যূনতম গ্রেড পেতে হয়। এর ফাঁকে ফাঁকে ল্যাবে গবেষণার কাজ করতে হয়। এ কারণে আমেরিকান পিএইচডি মানেই অনেক বেশি খাটুনি।

শুধু তাই নয়, পিএইচডি চলাকালীন সময়ে দুই বছরের মাথায় বড় পরিসরের একটি পরীক্ষায় বসতে হয়। যার নাম পিএইচডি কোয়ালিফিইং পরীক্ষা (PhD Qualifying Exam) । এই পরীক্ষায় যারা পাশ করবে তাদের আবার পিএইচডি কমিটির সামনে মৌখিত পরীক্ষা (Oral Qualifying Exam) দিতে হবে। মৌখিক পরীক্ষায় পাশ করার পরেই কেবল একজন স্টুডেন্টকে চূড়ান্তভাবে পিএইচডির জন্য গণ্য করা হবে। এবং এই ধরণের স্টুডেন্টকে বলা হবে পিএইচডি ক্যান্ডিডেট

Screenshot_1

[alert style=”success”]অন্যদিকে জাপানী বা ইউরোপিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পিএইচডি করতে গেলে এ ধরণের পরীক্ষা অংশ নেওয়ার দরকার পড়ে না। তাছাড়া পিএইচডি করার মেয়াদকাল ৩ থেকে ৪ বছর হয়ে থাকে।  .[/alert]