[alert style=”danger”]জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্ন সাধারণত বাংলায় হয়ে থাকে। যার কারনে বইয়ের অধিকাংশ টার্ম এবং বিভিন্ন বিষয়ের নামগুলো বাংলায় শেখা হয়। ফলে ইংরেজি টার্মগুলোর সাথে তারা থাকে অপরিচিত। জিআরই পরীক্ষার প্রস্তুতি পর্বে তাই একজন স্টুডেন্ট প্রথম ধাক্কার সম্মুখীণ হোন এখানেই। জিআরই পরীক্ষা এবং পরীক্ষার সিলেবাস সম্পর্কে মনে ভয় বাসা বাধে। ফলশ্রুতিতে জিআরই পরীক্ষার হাল ছেড়ে দেন অধিকাংশ শিক্ষার্থী।[/alert]

হঠাৎ করে পরিচিত জিনিসের নতুন ইংরেজি টার্ম যে কোন স্টুডেন্টকেই ভয় পাইয়ে দিতে পারে, বিষয়টি খুবই স্বাভাবিক। সাধারণত আমরা সারা বছর মোটামুটি Relay হয়ে পড়ালেখা করি। তাই হঠাৎ কঠিন কঠিন শব্দ বা অংকের ধারা এবং পরিচিত বাংলা টার্ম যখন ইংরেজিতে থাকে তখন সবকিছুই মনে ভয়ের সঞ্চার করে। সেক্ষেত্রে জিআরই পরীক্ষায় ভালো স্কোর করতে কিভাবে প্রস্তুতি নেওয়া যায় তা নিয়ে আলোচনা করা যাক। জিআরই পরীক্ষায় ভালো একটি স্কোর করতে নিম্মের ধাপগুলো অনুসরণ করা যেতে পারে-

১.

প্রথমে জিআরই পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সকল বই কিনে ফেলেতে হবে বা পিডিএফ (.pdf) ফাইল সংগ্রহ করে নিতে হবে। পিডিএফ ফাইলগুলো মূলত অনলাইনেই ফ্রি পাওয়া যায়।

জিআরই প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় বইগুলো পাওয়া যেতে পারে [button size=”large,small,mini” color=”teal” url=”http://hsa.grecbd.com/downloadvault/” target= “_blank”]গ্রেকের ডাউনলোড সংকলন[/button] লিংক থেকে। এছাড়াও গ্রেকের প্রতি মাসে নিয়মিত ভাবে আয়োজিত [button size=”large,small,mini” color=”teal” url=”http://hsa.grecbd.com/dvdtolaptop/” target= “_blank”]ফ্রি ২৯ জিবি ম্যাটেরিয়াল[/button] থেকেও সংগ্রহ করা যেতে পারে।

২.

একটি ফ্রি মক টেস্ট দিয়ে জেনে নেয়া যেতে পারে নিজের দুর্বলতা বা সফলতার দিক গুলো। তবে ফ্রি টেস্ট দেয়ার আগে অবশ্যই পরীক্ষার নিয়ম এবং কাঠামো সম্পর্কে জেনে নিতে হবে।

সাধারণত ইটিএস এর পাওয়ার প্রেপ নামে ২টি পৃথক সফটওয়্যার আছে। যা সম্পূর্ণ বিনামূল্যের। এই দুটির একটিতে অংশ নিয়ে নিজেকে যাচাই করে দেখা যেতে পারে।

৩.

একটি ব্যক্তিগত রুটিন করে নিতে হবে। মূলত চার বা ছয় মাসের ধারাবাহিক প্রস্তুতি প্রয়োজন সফলতা পেতে। যদি কর্মজীবী হয়ে থাকেন তাহলে প্রতিদিন ২ ঘণ্টা করে সময় দিতে হবে জিআরই পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য। যদি শিক্ষার্থী হোন তবে ৫ থেকে ৬ ঘন্টা সময় দিতে হবে।

সর্বোপরি, জিআরই পরীক্ষায় সফলতার প্রয়োজন ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকা। একটু সময় নিয়ে প্রস্তুতি নেয়া। প্রস্তুতির মাঝে বিরতি না নিয়ে নিয়মিত ভাবে অনুশীলন চালিয়ে যাওয়া। ইংরেজি টার্ম এবং প্রশ্ন পদ্ধতির সাথে নিজেকে মানিয়ে নেয়া।

৪.

যদি নিজেকে ম্যাথে দুর্বল মনে হয় তবে একটু সময় নিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণী হতে দশম শ্রেণী পর্যন্ত সাধারণ গণিত বইয়ের (অবশ্যই ইংরেজি ভার্সনের) সকল সূত্র পড়ে নেয়া যেতে পারে। বিশেষ করে উপপাদ্যগুলো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

৫.

ইংরেজিতে অর্থাৎ জিআরই পরীক্ষার ভার্বাল সেকশনে (vocabulary Reading comprehension) দুর্বলতা রয়েছে মনে করলে বেশি বেশি ভোকাবুলারী শিখতে হবে। আর ভোকাবুলারী শিখতে ফ্ল্যাশ কার্ড ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়াও স্মার্টিফোনে এ Apps ব্যবহার করতে পারেন এবং পড়ার অভ্যাস গড়তে English Dailies খুব উপকারী।

নতুন নতুন ইংরেজি শব্দ সহজে মনে রাখার বেশি কিছু পদ্ধতি রয়েছে। এ সম্পর্কে জানতে ক্লিক করুন [button size=”large,small,mini” color=”teal” url=”http://hsa.grecbd.com/way_of_memorizing_vocabs/” target= “_blank”]এখানে[/button]

৬.

প্রতিদিন যে পড়াটি পড়ছেন তার কতোটুকু আত্মস্থ করতে পারছেন তা যাচাই করতে হবে। সময় করে নিয়মিত বিরতিতে অবশ্যই টেস্ট দিয়ে নিজেকে যাচাই করে নিতে হবে। অনলাইনে ফ্রি অনেক টেস্ট পাওয়া যায় যেগুলো দেয়া যেতে পারে। তাছাড়া নানা Apps রয়েছে সেখানেও দেওয়া যায়।

৭.

পড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ধারাবাহিকতা, অনুশীলন এবং পরীক্ষণ। এই প্রক্রিয়া বজায় রাখলে আপনি অবশ্যই জিআরই পরীক্ষায় ভাল ফলাফল আশা করতে পারেন।

আর্টিকেল কৃতজ্ঞতায়: তাহমিনা আক্তার মিলি, গ্রেক অ্যালামনাস (জিআরই স্কোর: ৩২৮)