reading-strategies

[alert style=”danger”]সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে প্যাসেজ থেকে উত্তর খুঁজে উত্তরপত্রে লিখতে হয় আয়েল্টস টেস্টের রিডিং সেকশনে। যা অধিকাংশ পরীক্ষার্থীর জন্যই বেশ চ্যালেঞ্জিং। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সবগুলো প্রশ্নের উত্তর অনেকেই করতে পারে না।[/alert]

প্রস্তুতিটা ভালোই, উত্তরও খুঁজে বের করতে পারবেন মনে আত্মবিশ্বাস আছে। কিন্তু সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকলে সবগুলো প্রশ্নের উত্তর করা প্রায় অসম্ভব। এই সেকশনে তাই প্রস্তুতির সাথে কার্যকরী কিছু স্ট্রাটিজি জানা থাকাটা জরুরী।

স্ট্রাটিজি  ১  :

প্যাসেজগুলো যতোটা সম্ভব দ্রুত পড়ে যাওয়া।

আয়েল্টস টেস্টের এই সেকশনটিতে ৩টি প্যাসেজ থাকে। প্যাসেজগুলো প্রায় হাজারের অধিক শব্দের হয়ে থাকে। প্রতিটি প্যাসেজের জন্য গড়ে সময় পাওয়া যায় মাত্র ২০ মিনিট করে। এর মধ্যে পুরো প্যাসেজটি পড়ে উত্তর করতে যাওয়াটা বোকামি হবে। তাই পুরো প্যাসেজের একটি ওভারভিউ নিতে। খুব দ্রুত চোখ বুলিয়ে যেতে হবে। নাহলে পরে উত্তর করার সময় পাওয়া যাবে না। এসময় ছোট ছোট নোট নিয়ে রাখা যেতে পারে।

স্ট্রাটিজি  ২  :

প্যাসেজের ডিফিকাল্টি অনুযায়ী পরীক্ষার শুরুতেই সময় ভাগ করে নেয়া।

রিডিং সেকশনের পরীক্ষার শুরুতেই প্যাসেজগুলো স্কিমিং অ্যান্ড স্ক্যানিং করার পর প্রতিটি প্যাসেজের জন্য সময় ভাল করে ফেলতে হবে। এরপর সেই সময়ের মধ্যে প্যাসেজের অধীনে থাকা প্রশ্নগুলোর উত্তর করতে হবে। যেমন- প্রথম প্যাসেজটি বরাবরই তুলনামূলক সহজ হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে এই প্যাসেজের জন্য ১৭ মিনিট, ২য় প্যাসেজের জন্য ১৯ মিনিট এবং শেষের প্যাসেজটি সাধারণত সব চেয়ে কঠিন হয় বলে সেটার জন্য ২১ মিনিট। এভাবে টাইম ভাগ করার পরেও হাতে ২-১ মিনিট পাওয়া যাবে। তখন উত্তরগুলো চেক করে নিতে পারবেন।

স্ট্রাটিজি  ৩  :

প্রথমে প্রশ্ন পড়ে নিয়ে পরে প্যাসেজে উত্তরগুলো খোঁজা।

পুরো প্যাসেজটি পড়ে এরপর উত্তর খুঁজতে গেলে শেষে গিয়ে হাতে সময় পাওয়া যায় না। এজন্য প্রথম প্রশ্নগুলো ভালো ভাবে পড়ে তারপর প্যাসেজে গিয়ে উত্তরগুলো খুঁজে বের করা উচিত। এতে করে উদ্দেশ্যহীন ভাবে প্যাসেজ না পড়ে বরং নির্দিষ্ট উত্তরের জন্য প্যাসেজটি পড়া হয় এবং তা মূল্যবান সময় বাঁচিয়ে দিতে পারে।

স্ট্রাটিজি ৪:

একটি প্রশ্নে অনেক বেশি সময় না দেয়া।

অনেকেই একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া পর্যন্ত সেটির উত্তর খুঁজতেই থাকেন। এতে অতিরিক্ত অনেক সময় ব্যয় হয়। তবে পুরো প্যাসেজটি বার বার পড়ার পরও হয়তো প্রশ্নটির উত্তর পাওয়াই যায় না। এমন পরিস্থিতে ওই প্রশ্নটি স্কিপ করে যাওয়াই ভাল। যাতে পরে সময় পেলে তার উত্তর করা যায়। অন্যথায় বাদ দিয়ে সামনের প্রশ্নে যাওয়াই ভাল।

স্ট্রাটিজি ৫:

আয়েল্টস টেস্টের এই সেকশনটিতে প্রশ্নে অনেক সময়ই ‘NO MORE THAN THREE WORDS/ LESS’ বলা হয়ে থাকে। এমন তথ্যগুলোতে খেয়াল রাখা।

রিডিং সেকশনে অনেক প্রশ্নেই শব্দের লিমিট দেয়া থাকে। এক্ষেত্রে কখনোই সেই লিমিট অতিক্রম করা ঠিক না। এতে করে উত্তরটি ভুল বলে বিবেচনা করা হয়। তাই লিমিটের বাইরে কোন ভাবেই যেয়ে উত্তর করা যাবে না।

স্ট্রাটিজি ৬:

বানান ঠিক আছে কিনা তা আবারও চেক করে নেয়া।

আয়েল্টস টেস্টে বানান ভুলের জন্য নাম্বার কাটা হয়। এই সেকশনে উত্তরগুলো প্যাসেজ থেকে নিতে হলেও অনেকেই দেখে দেখে বানান ভুল করে বসেন। তাই পরীক্ষার শেষে সময় পেলে উত্তরগুলোতে কোন বাানান ভুল আছে কিনা তা চেক করে দেখতে হবে।

স্ট্রাটিজি ৭:

উত্তর করার সময় Singular এবং Plural ফর্মের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

কোন প্রশ্নের Singular বা Plural ফর্মে উত্তর করার প্রয়োজন আছে কিনা তা ভাল ভাবে লক্ষ্য করত হবে। প্রশ্নে যদি Plural ফর্ম বোঝানো হয় তবে সেক্ষেত্রে উত্তরটি সেভাবেই লিখতে হবে। অন্যথায় উত্তরটি ভুল ধরা হতে পারে।

স্ট্রাটিজি ৮:

প্রশ্নে উল্লেখিত ডাটা/ তথ্য/ ইন্সট্রাকশনগুলো ভাল ভাবে খেয়াল করতে হবে।

রিডিং সেকশনের প্রশ্নে যদি True, False বা Not Given এ উত্তর করতে বলা হয় তবে কখনোই Yes বা No দিয়ে উত্তর করা যাবে না। এমনটা হলে উত্তরটি ভুল ধরা হবে।

স্ট্রাটিজি ৯:

উত্তরপত্রে উত্তরগুলো ট্রান্সফার করার জন্য হাতে অবশ্যই অতিরিক্ত কিছু সময় রাখা এবং সবগুলো প্রশ্নের উত্তর করা।

অনেকেই উত্তর করতে করতে সময়ের দিকে খেয়াল রাখে না। খুব দ্রুত প্যাসেজের মধ্যে উত্তরগুলো খুঁজতে গিয়ে পরে দেখা যায় সেগুলো উত্তরপত্রে তুলতে পারে না। তাই ৪০টি প্রশ্নের উত্তর করতে হলে অবশ্যই হাতে কিছু অতিরিক্ত সময় রাখতে হবে।