জিআরই পরীক্ষায় ভালো স্কোর গড়ার জন্য চাই দৃঢ় মনোবল। এর জন্য চাই আলাদা কৌশল। সে কারনে মনোবল সঠিক রাখতে কম করে হলেও এক সপ্তাহ আগে থেকে প্রস্তুতির জন্য আলাদা একটি গাইড লাইন নির্ধারণ করা উচিত। যেমন-

দূর্বল দিক নির্ধারণ করা:

শেষ সাতদিনে আর নতুন করে মুখস্ত করার চাপ নেওয়া বোকামি হবে। আগে যতটুকু সম্ভব হয়েছে ততটুকু সম্বল ধরে পরিকল্পনা ঠিক করা উচিত। এ জন্য আপনার প্রথম কাজ হওয়া উচিত আপনার জিআরই প্রস্তুতির কোথায় ঘাটতি আছে, দুর্বলতা আছে সেই অংশ খুঁজে বের করা। এ কাজে আপনার জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য নাম হতে পারে ইটিএস থেকে প্রকাশিত ”দা অফিসিয়াল গাইড টু দা জিআরই”। এখানে আসল জিআরই পরীক্ষার আদলে প্রশ্ন দেওয়া আছে। এই প্রশ্নগুলো ধাপে ধাপে সমাধান করার পরেই আপনি বুঝতে পারবেন কোনদিকে আপনার দূর্বলতা সবচেয়ে বেশি। সেই মত আপনি চাইলে শেষ সময়ের প্রস্তুতিতে ঘাটতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে পারবেন।

বেশি বেশি অনুশীলন:

প্রস্তুতি আশানুরূপ হয়নি। নতুন করে মুখস্ত করার মতো সময় ও হাতে নেই। চাই আরো ভালো স্কোর। এ অবস্থায় আগে দেখতে হবে কোন অংশে আপনার দূর্বলতা বেশি। যদি গাণিতিক অংশে আপনি দূর্বল থাকেন তাহলে আপনার উচিত হবে Manhattan 1-6, Nova New GRE Math Bible, Princeton Math Workout for the New GRE এ বইগুলো সমাধান করা। ভার্বাল অংশের দূর্বলতা কাটানোর সহায়ক হবে Manhattan 7-8, Barron’s GRE Verbal Workbook, Princeton Verbal Workout for the New GRE অনুশীলন করা। এর সাথে উভয় অংশেই আপনার প্রস্ততির মাত্রা বাড়াতে চাইলে Manhattan 5LB, 1014 GRE Practice Questions, ETS GRE big book এবং Princeton Review Cracking the new GRE  বই অনুশীলন করা উচিত।

মডেল টেস্ট:

অনুশীলনের সাথে পূর্নাঙ্গ মডেল টেস্ট এ অংশ নেওয়া উচিত। এতে করে আপনার প্রস্ততির ধার বাড়বে। বাড়বে দক্ষতা। যা আপনাকে ভালো স্কোর তুলতে সহায়তা করবে। বর্তমানে অনেক ওয়েব সাইটে বিনামূল্যে অনলাইনে মডেল টেস্ট দেওয়া যায়। প্রতিদিন কম করে হলেও একটি মডেল টেস্ট দেওয়া উচিত।

অ্যানালিটি রাইটিং:

অ্যানালিটিকাল রাইটিং এ ধার বাড়াতে মডেল টেস্ট দেওয়ার কোন বিকল্প নেই। যত বেশি রাইটিং লিখবেন তত আপনার লেখার মাঝে আলাদা আর্ট আসবে, আত্নবিশ্বাস বাড়বে। ফ্রি হ্যান্ডে লেখার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। তাই নিয়মিত মডেল টেস্ট দেওয়ার পাশাপাশি আলাদা করে রাইটিং অনুশীলন করতে পারেন। চাইলে অনলাইনে রাইটিং অনুশীলন করা যাবে। এজন্য বিদেশী ওয়েব সাইটের পাশাপাশি আছে দেশি ওয়েবসাইট। তবে বিদেশী ওয়েব সাইটগুলো রাইটিং এর সুবিধা দিলেও গ্রেডিং এর টাকা চেয়ে বসতে পারে।

কৌশল ঠিক করা:

পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে প্রতিটি মুহুর্ত গুরুত্বপূর্ন। এ কারনে এক সেকেন্ড সময়ও যাতে অপচয় না হয় তার জন্য পূর্ব পরিকল্পনা থাকা উচিত। জানা উচিত প্রতিটি প্রশ্ন উত্তর করার জন্য আপনার হাতে কতক্ষণ সময় থাকবে। যেমন- ভার্বাল অংশের এক একটি রাউন্ডে মোট প্রশ্ন থাকবে ২০টি। সময় বরাদ্দ থাকবে ৩০ মিনিটি। সে হিসেবে (৩০/২০=১.৫০ মিনিট) অর্থাৎ প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর করার জন্য আপনার হাতে সময় থাকবে মাত্র ৯০ সেকেন্ড। অনুরূপভাবে কোয়ান্ট এর প্রতিটি প্রশ্নের জন্য সময় পাবেন ১মিনিট ৪৫ সেকেন্ড করে। সে কারনে অনুশীলনের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেনো প্রতিটি প্রশ্নের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্তর করা যায। এতে করে পরীক্ষার হলে সময়মতো উত্তর করা সম্ভব হবে।

Comments

  1. Marla

    You share interesting things here. I think that your blog can go viral
    easily, but you must give it initial boost and i know how to do it, just
    search in google – mimesis content advices

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.