২০১১ সালের অগাস্ট মাসের আগের জিআরই ছিল কম্পিউটার অ্যাডাপটিভ জিআরই বা ক্যাট (CAT) জিআরই।

ভার্বালে যেসব ধরণের প্রশ্ন আসতো তা হলো:

  • সেন্টেন্স কমপ্লিশন বা শূন্যস্থান পূরণ – Sentence completion
  • অ্যানালজি বা অনুরূপ সম্পর্কযুক্ত শব্দজোড় খুজে বের করা – Analogy
  • অ্যান্টনিম বা বিপরীতার্থক শব্দ বের করা  – Antonym
  • রিডিং কমপ্রিহেনশন – Reading comprehension

এখান থেকে বর্তমান জিআরইতে অ্যানালজি ও অ্যান্টনিম ধরণের প্রশ্ন আসে না। এ ছাড়া আগের সেন্টেন্স কমপ্লিশনে কেবল একটি ব্ল্যাংক দিয়ে তার নীচে পাঁচটা অপশন দেওয়া হতো অথবা দুইটি ব্ল্যাংক থাকলেও তার অপশনের মধ্যে দেওয়া শব্দগুলোর মধ্যে জোড়ের সম্পর্ক থাকতো। বর্তমান জিআরইর ভার্বাল অংশে দুই ব্ল্যাংক থাকলে প্রতি ব্ল্যাংকে আলাদা ভাবে সঠিক শব্দ খুঁজে নিতে হয়। একই নিয়ম সত্য তিনটি ব্ল্যাংকের ক্ষেত্রেও।

আগের জিআরইতে এ কারণে ভোকাবুলারির উপর প্রত্যক্ষ জোর দেওয়া হতো (অ্যানালজি, অ্যান্টনিম)। কিন্তু বর্তমান জিআরইতে সামগ্রিক ভাবে ভার্বাল রিজনিং বা বাক্য কাঠামো পড়ে অনুধাবনের উপর জোর দেওয়া হয়।

কুয়ান্টিটেটিভ অংশে আগে যা আসতে একই ধরণের প্রশ্ন এখন আসে, বরং তার সাথে নিউমেরিক এন্ট্রি এবং একাধিক সঠিক এমসিকিউ ধরণের প্রশ্ন যোগ করা হয়েছে। এ ছাড়া ম্যাথের ডিফিকাল্টি কিছুটা বাড়ানো হয়েছে।

আগের রাইটিং অংশের ইস্যু টাস্কে ৪৫ মিনিট সময় দেওয়া হলেও এখন ৩০ মিনিট লিখতে হয়। আগে দুইটি ইস্যু টাস্কের অপশন ছিল সেখান থেকে একটি লিখতে হতো। এখন কোন অপশন দেওয়া হয় না।

আগের জিআরইতে 800 করে দুই সেকশনে মোট নম্বর ছিল 1600 যা বর্তমান জিআরইতে 170 করে 340 করা হয়েছে। রাইটিং-এর মোট নম্বর আগের মতোই 0 থেকে 6 পর্যন্ত বহাল আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.