জিআরই পরীক্ষার স্কোর প্রকাশের সময় আমরা প্রায়শ:ই Percentile below বা সংক্ষেপে Percent below  শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করে থাকি। এটা দিয়ে বোঝায় আপনার প্রাপ্ত স্কোরের চেয়ে নীচে আছে কত পার্সেন্ট পরীক্ষার্থীর স্কোর। তাই যার Percentile below যত বেশি, তার স্কোর তত ভালো বিবেচনা করা হয়।

আরেকটা সূচক আছে সুনির্দিষ্টভাবে কোন একটা প্রশ্নের জন্য প্রযোজ্য, যাকে P+ সূচক দিয়ে প্রকাশ করা হয়। এই সংখ্যাটা দিয়ে বোঝায় ওই সুনির্দিষ্ট প্রশ্নটা বিভিন্ন জিআরই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কত পার্সেন্ট পেরেছে। অর্থাৎ যে প্রশ্নের P+ এর মান যত বেশি, সেটা তত বেশি সহজ। বিপরীতক্রমে কঠিন প্রশ্ন হলে তা কম সংখ্যক লোক পারবে, কাজেই তার P+ এর মান স্বাভাবিক ভাবেই কমে আসবে।

এই যে P+ এর মান, তা পরীক্ষার্থীর সরাসরি কোন কাজে না আসলেও ইটিএস তাদের ডেটাবেজে এই তথ্যটাকে বিশেষ দরকারে রক্ষণাবেক্ষণ করে। ইটিএস-এর ক্রমাগত মানোন্নয়নের অংশ হিসাবে এই ডেটাগুলো ব্যবহৃত হয়। কোন প্রশ্ন যদি কম পরিমাণ P+ পেতে থাকে তাহলে শুধু যে ওই প্রশ্নটাকে কঠিন বলেই বিবেচনা করা হয় তা নয়, বরং প্রশ্নটির phrasing এর মধ্যে কোন বিভ্রান্তিকর কিছু আছে কি না যার কারণে পরীক্ষার্থীরা ধোঁকার মধ্যে পড়ছেন -এটাকেও বিবেচনায় আনা হয়।

প্রসংগত: জানিয়ে রাখি, আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে পরীক্ষা নেবার সংশয় প্রশ্ন ব্যাংকে সরাসরি প্রশ্নের P+ মানটা সংরক্ষণ করা হয়। এই তথ্যটা কাজে লাগে যাতে করে পরের সেমিস্টারে একই জিনিস পড়ানোর সময় শিক্ষক ওই টপিকটাকে আরো বিস্তারিত বা সহজ করে পড়াতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.